ধর্ষককে দেখলে চিনতে পারবেন ভিকটিম

০৭ জানুয়ারি ২০২০, ১৫:২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

ধর্ষককে দেখলে চিনতে পারবে বলে জানিয়েছেন ধর্ষণের শিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েটি। এছাড়া তার স্কেচ তৈরিতে সহায়তা করতে পারবেন তিনি। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম সাংবাদিকদের একথা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন মেয়েটির সঙ্গে দেখা করেন এবং কথা বলেন।

নাছিমা বেগম বলেন, ‘মেয়েটি আসামিকে দেখলে আইডেন্টিফাই করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন। আসামির স্কেচ করার কাজেও সহায়তা করতে পারবেন। মেয়েটি বলছেন, ধর্ষক মাঝারি গড়নের, চুলের কাট কেমন এবং দেখতে কেমন। দ্রুত তার ট্রমা কাটাতে পেরেছেন তিনি, এজন্য আমি তার সাহসের প্রশংসা করি। গতকাল (সোমবার) তিনি আজকের মতো স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলেন না। তাই এসব তথ্য দিতে পারেননি।’

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ চক্রবর্তী বলেন, ‘মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমাদের সব ব্রাঞ্চ প্রথম থেকেই কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশের উত্তর বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা প্রথম থেকেই প্রযুক্তিগত সহায়তা নিচ্ছি। আশেপাশের সিসিটিভির ফুটেজ আমরা নিয়েছি। এখন ফুটেজ দেখে বিশ্লেষণ চলছে। যেহেতু ওই সড়কটি ব্যস্ততম, তাই সেখানে যথেষ্ট জনসমাগম রয়েছে। আমরা এখনও সুনির্দিষ্ট করতে পারিনি। তবে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তদন্তের স্বার্থে এখনই অনেক কিছু বলা সম্ভব না।’

প্রসঙ্গত, রবিবার (৫ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৫টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ওই ছাত্রী বান্ধবীর বাসায় যাচ্ছিলেন। কুর্মিটোলা বাসস্টেশনে নামার পর তাকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি অনুসরণ করতে থাকে। পরে তাকে ধরে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে ঘটে। রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফেরে ওই ছাত্রীর। পরে তিনি রিকশায় করে বান্ধবীর বাসায় যান। সেখান থেকে বান্ধবীসহ অন্য সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।